১। বাংলাদেশ পুলিশ জনগণের সেবা প্রদানকারী একটি প্রতিষ্ঠান।
০২। জাতি ধর্ম, বর্ণ ও রাজনৈতিক/ সামাজিক/ অর্থনৈতিক শ্রেণী নির্বিশেষে দেশের প্রতিটি থানায় সকল নাগরিকের সমান আইনগত অধিকার লাভের সুযোগ রয়েছে।
০৩। থানায় আগত সাহায্যপ্রার্থীদের আগে আসা ব্যক্তিকে আগে সেবা প্রদান করা হবে।
০৪। থানায় সাহায্যপ্রার্থী সকল ব্যক্তিকে থানা পুলিশ সম্মান প্রদর্শন করবে এবং সম্মানসূচক সম্বোধন করবে।
০৫। থানায় জিডি করতে আসা ব্যক্তির আবেদনকৃত বিষয়ে ডিউটি অফিসার সর্বাত্মক সহযোগিত প্রদান করবে এবং আবেদনের ২য় কপিতে জিডি নম্বর, তারিখ এবং সংশ্লিষ্ট অফিসারের স্বাক্ষর ও সীলমোহরসহ তা আবেদনকারীকে প্রদান করতে হবে। বর্ণিত জিডি সংক্রান্ত বিষয়ে যথাশীঘ্র সম্ভব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে এবং গ্রহীত ব্যবস্থা পুনরায় আবেদনকারীকে অবহিত করা হবে।
০৬। থানায় মামলা করতে আসা ব্যক্তির মৌখিক/লিখিত বক্তব্য অফিসার ইনচার্জ কর্তৃক এজাহারভুক্ত করবে এবং আগত ব্যক্তিকে মামলার নম্বর, তারিখ ও ধারা এবং তদন্তকারী অফিসারের নাম ও পদবী অবহিত করবে। তদন্ত কারী অফিসার এজাহারকারীর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে তাঁকে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করবে এবং তদন্ত সমাপ্ত হলে তাঁকে ফলাফল লিখিতভাবে জানিয়ে দিবে।
০৭। থানায় মামলা করতে আসা কোন ব্যক্তির মামলা অফিসার ইনচার্জ/ থানার ডিউটি অফিসার এন্ট্রি করতে অপারগতা প্রকাশ করলে তখন উক্ত বিষয়টির উপর প্রতিকার চেয়ে নিম্নবর্ণিত নিয়মানুযায়ী আবেদন করবেনঃ-
(ক) সহকারী পুলিশ সুপার(সার্কেল) এর নিকট আবেদন করবেন।
(খ) তিনি যদি উক্ত বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন তা হলে উক্ত ব্যক্তি জেলা পুলিশ সুপারের নিকট আবেদন করবেন।
(গ) অতঃপর তিনিও যদি উক্ত ব্যক্তির বিষয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করেন তা হলে উক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট ডিআইজি’র নিকট আবেদন করবেন।
(ঘ) তাঁরা কেউ উক্ত বিষয়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে মহাপুলিশ পরিদর্শকের নিকট উক্ত বিষয়ে প্রতিকার চেয়ে আবেদন করবেন।
০৮। আহত ভিকটিমকে থানা হতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা হবে এবং এ বিষয়ে থানা সকল মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করবে।
০৯। শিশু/কিশোর অপরাধী সংক্রান্ত বিষয়ে শিশু আইন, ১৯৭৪ এর বিধান অনুসরণ করা হবে এবং তাঁরা যাতে কোনভাবেই বয়স্ক অপরাধীর সংস্পর্শে না আসতে পারে তা নিশ্চিত করা হবে। এ জন্য দেশের সকল থানায় পর্যায়ক্রমে কিশোর হাজতখানার ব্যবস্থা করা হবে।
১০। মহিলা আসামী/ ভিকটিমকে যথাসম্ভব মহিলা পুলিশের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন।
১১। কিছু সংখ্যক থানায় ওয়ানস্টপ ডেলিভারী সার্ভিস চালু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উক্ত ওয়ানস্টপ ডেলিভারী সার্ভিস সেন্টার সকল থানায় প্রবর্তন করা হবে।
১২। আহত/মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ভিকটিমকে সার্বিক সহযোগিতার জন্য দেশের সকল থানায় পর্যায়ক্রমে ভিকটিম সাপোর্ট ইউনিট চালু করা হবে।
১৩। পাসপোর্ট/ভেরিফিকেশন/আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইত্যাদি বিষয়ে সকল অনুসন্ধান প্রাপ্তির ৩(তিন) দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে থানা হতে সংশ্লিষ্ট ইউনিটে প্রতিবেদন প্রেরণ করা হবে।
১৪। থানা হতে বর্ণিত আইনগত সহযোগিতা না পাওয়া গেলে বা কোন পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবর অভিযোগ দাখিল করা যাবে।
সেইক্ষেত্রে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ
(ক) লিখিত অভিযোগ প্রাপ্তির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে কার্যকর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং তা অভিযোগকারীকে
অবহিত করবেন।
(খ) ব্যক্তিগতভাবে হাজির হওয়া ব্যক্তির বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শুনবেন, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং তা
অভিযোগকারীকে জানাবেন।
(গ) টেলিফোনে প্রাপ্ত সংবাদের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
১৫। সকল থানায় পুলিশ সুপার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, এএসপি (হেডকোয়ার্টার্স), সংশ্লিষ্ট সার্কেল এএসপি এবং থানার অফিসার ইনচার্জের টেলিফোন নম্বর থানায় প্রকাশ্য স্থানে প্রদর্শিত হবে।
১৬। জেলায় কর্তব্যরত সকল পর্যায়ের অফিসারগণ প্রতি কার্যদিবসে নির্ধারিত সময়ে সকল সাহায্যপ্রার্থীকে সাহায্য প্রদান করবে।
১৭। থানার পুলিশ সদস্যগণ কম্যুনিটির সাথে নিবচ্ছিন্ন যোগাযোগ রক্ষা করবেন এবং কম্যুনিটি ওরিয়েন্টড পুলিশ সার্ভিস চালু করবেন।
১৮। উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ নিয়মিত কম্যুনিটির সহিত অপরাধ দমনমূলক/জনসংযোগমূলক সভা করবেন এবং সামাজিক সমস্যাসমুহের আইনগত সমাধানের প্রয়াস চালাবেন।
১৯। বিদেশে চাকুরী/উচ্চ শিক্ষার জন্য গমনেচ্ছু প্রার্থীদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান করবে।
২০। ব্যাংক হতে কোন প্রতিষ্ঠান অধিক পরিমাণ টাকা উত্তোলন করলে উক্ত টাকা নিরপদে নেওয়ার জন্য চাহিদা অনুযায়ী পুলিশ এস্কর্টের ব্যবস্থা করা হবে।
২১। জেলা শহরে যানবাহন নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক বিভাগ, ট্রাফিক সংশ্লিষ্ট কি কি সেবা প্রদান করছে তা প্রকাশ্য স্থানে প্রদর্শিত হবে।
০১। পুলিশ অফিস,
০২। পুলিশ লাইন্স,
০৩। রিজার্ভ অফিস,
০৪। থানা
০৫। ফাড়ী
০৬। তদন্তকেন্দ্র
০৭। ক্যাম্প
০৮। নৌ ফাড়ী
নামঃ খোঃ ফরিদুল ইসলাম , পদবীঃ পুলিশ সুপার, মাদারীপুর। ফোনঃ ৬১৪৯৬, মোবাইলঃ ০১৭১৩৩৭৩৫৮২, ই-মেইল আইডিঃ spmadaripur@police.gov.bd মোহাম্মদ নাসিরুল ইসলামী পদবী: অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাদারীপুর মোবাইল: ০১৭১৩৩৭৩৫৮৩ ই-মেইল: spmadaripur@police.gov.bd
জনবল ও গাড়ী সংকট, জনগণের সচেতনতার অভাব, অকার্যকর ট্রাফিক আইন
-
20.
সার্ভিস ডেলিভারী
পর্যাপ্ত বরাদ্দের অভাব
-
১। মাদারীপুর সদর থানা জনগণের সেবা প্রদানকারী একটি প্রতিষ্ঠান
২। জাতি,ধর্ম,বর্ণ ও রাজনৈতিক/ সামাজিক/অর্থনৈতিক শ্রেণী নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান আইনগত অধিকার প্রদান
৩। থানায় আগত সাহায্য প্রার্থীদের আগে আসা ব্যক্তিকে আগে সেবা প্রদান করা
৪। থানায় সাহায্য প্রার্থী সকল ব্যক্তিকে থানা পুলিশ সম্মান প্রদর্শন এবং সম্মান সুচক সম্বোধন করা
৫। থানায় জিডি করতে আসা ব্যক্তির আবেদনকৃত বিষয়ে ডিউটি অফিসার সর্বত্নক সহযোগিতা প্রদান করা এবং আদনের ২য় কপিতে জিডি নম্বর,তারিখ এবং সংশিস্নষ্ট অফিসারের স্বাক্ষর ও সীলমোহর সহ তা আবেদনকারীকে প্রদান করা এবং বর্ণিত জিডি সংক্রান্ত বিষয়ে যথাশীঘ্র সম্ভব ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গৃহীত ব্যবস্থা পুনরায় আবেদনকারীকে অবহিত করা।
৬। থানায় মামলা করতে আসা ব্যক্তির মৌখিক/লিখিত বক্তব্য অফিসার ইনচার্জ কর্তৃক এজাহার ভুক্ত করা এবং আগত ব্যক্তিকে মামলার নম্বর, তারিখও ধারা সহ তদন্তকারী অফিসারের নাম ও পদবী অবহিত করবে। তদন্তকারী অফিসার এজাহারকারীর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ করা করে তাকে তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করবে এবং তদন্ত সমাপ্ত হলে তাকে ফলাফল লিখিত ভাবে জানিয়ে দিবে।
৭। আহত ভিকটিমকে থানা হতে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করা এবং এ বিষয়ে থানা সকল মেডিকেল সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা।
৮। শিশু/ কিশোর অপরাধী সংক্রামত্ম বিষয়ে শিশু আইন, ১৯৭৪ এর বিধান অনুসরণ করা এবং তারা যাতে কোন ভাবেই বয়স্ক অপরাধীর সংস্পর্শ না আসতে পারে তা নিশ্চিত করা। এ জন্য দেশের সকল থানায় পর্যায়ক্রমে কিশোর হাজত খানার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
৯। মহিলা আসামী/ভিকটিমকে যথাসম্ভব মহিলা পুলিশের মাধ্যমে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
১০। পাসপোর্ট ভেরিফিকেশন/আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স ইত্যাদি বিষয়ে সকল অনুসন্ধান প্রাপ্তির ০৩ (তিন) দিনের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন করে থানা হতে সংশিস্নষ্ট ইউনিটে প্রতিবেদন প্রেরণ করা।
১১। থানা পুলিশ সদস্যগণ কমিউনিটির সাথে নিরবছিন্ন ভাবে যোগাযোগ রক্ষা করা।
১২। অপরাধ দমন মূলক /জনসংযোগমূলক সভার মাধ্যমে সামাজিক সমস্যা এবং আইনগত সমাধান করা
১৩। বিদেশে চাকুরী/ উচ্চ শিক্ষার জন্য গমনেচ্ছু প্রার্থীদের পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট প্রদান
১৪। ব্যাংক হইতে কোন প্রতিষ্ঠান অধিক পরিমান টাকা উত্তোলন করলে উক্ত টাকা নিরাপদে নেওয়ার জন্য চাহিদা অনুযায়ী পুলিশ এস্কটের ব্যবস্থা করা
১৫। যানবহন নিয়ন্ত্রনে ট্রাফিক সুবিধা প্রদান করা।
থানার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সমুহ:
১.Crime Data Management System.
২.কমিউনিটি পুলিশিং ফোরাম।
মাদারীপুর মডেল থানা মাদারীপুর এর প্রান কেন্দ্রে অবস্থিত। মাদারীপুর মডেল থানার পাশ্র্বে সরকারী নাজিম উদ্দিন কলেজ, মাননীয় নৌ-মন্ত্রী মহোদয় এর বাড়ী, পাবলিক বিদ্যালয়, বাসষ্ট্যান্ড, পানি উন্নয়ন বোর্ডে, সরকারী অফিসার্স কোয়াটার অবস্থিত। মাদারীপুর পুরাতন বাসষ্ট্যান্ড থেকে নেমে ২-৩ মি: লাগে হেটে গেলে, ইজি বাইকে এ ১-২ মি: লাগে ভাড়া ৫ টাকা।
সঠিক তথ্য না পাওয়ার কারণে যথাযথ ভাবে চিাকৎসা পাওয়াতে হয়রানী হওযা। ডাক্তার অবস্থান না করা / চিকিৎসকগণের দেরীতে উপস্থিতি / অনুপস্থিতির কারণে সময় মতো যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়া।
সকল পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে না পারা
এম্বুলেন্সের জালানী খরচ বহন করতে না পারা
সব পর্যায়ের জনবল পদায়ন করতে না পারা
সব বিষয়ের বিশেষজ্ঞ পদায়ন করতে না পারা.
সরকারী অন্যান্য বিভাগের মতো সংগ্রহ ও বিতরণ নিতিমালার কারনে সময়মতো সংগ্রহ ও রোগীদের সরবরাহ করতে না পারা (স্বাস্থ্য বিভাগের জন্য বাস্তব সম্মত পৃথক নীতি মালা প্রয়োজন)
নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকা।
অন্ত বিভাগীয় চিকিৎসা সেবা
অন্তঃবিভাগে ভর্তি করে সরাসরি চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা প্রদান,
পথ্য প্রদান
নার্সিং সেবা প্রদান
চিকিৎসা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যবস্থা গ্রহণ
উপজেলায় ডাক্তার অবস্থান না করা / চিকিৎসকগণের দেরীতে / অনুপস্থিতি সময় মতো যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়া।
সকল পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে না পারা
সব পর্যায়ের জনবল পদায়ন করতে না পারা
সব বিষয়ের বিশেষজ্ঞ পদায়ন করতে না পারা.
সরকারী অন্যান্য বিভাগের মতো সংগ্রহ ও বিতরণ নীতিমালার কারণে সময়মতো সংগ্রহ ও রোগীদের সরবরাহ করতে না পারা (স্বাস্থ্য বিভাগের জন্য বাস্তব সম্মত পৃথক নীতি মালা প্রয়োজন)
ঔষধ সরবরাহ
অন্ত বিভাগীয় ও বহিবিভাগীয় রোগীদের হাসপাতালে এভ্যাইলবেল ঔষধ সরবরাহ ও প্রয়োগ
সকল জরুরী ও প্রয়োজনীয় ওষুধ এভ্যাইলএবল না থাকাতে বাহির থেকে ক্রয় করা ও সময়মতো না পাওয়া
চাহিদা নির্ভর সংগ্রহ বিতরণ নীতিমালা না থাকা
উপর মহল থেকে বাস্তবতা বর্জিত সংগ্রহ ও সরবরাহ পাওয়ার কারণে যথাযথ ওষুধ সরবরাহ
রোগ প্রতিষেধক টিকা প্রদান কার্য ক্রম (সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচী)
০-১১ মাস বয়েসী শিশুদেরকে যক্ষা,ডিপথেরিয়া,ধনুষ্টংকর, লতা কাশ, পোলিও,হেপাটাইটিস বি, হিমোঃ ইনফ্লুয়েনঞ্জা, হাম- এই ৮ রোগ রোগের প্রতিষেধক টিকা প্রয়োগ।
সঠিক তথ্য না পাওয়ার কারণে যথাযথ ভাবে সেবা পাওয়াতে হয়রানী হওযা।
১৯৮৫ সালে গৃহীত প্রতি ৫০০০ জনগোষ্ঠির জন্য একজন স্বাস্থ্য সহকারী এই নিতিমালা অনুয়ায়ী লোক নিয়োগ অব্যাহত না থাকাতে সেবার ক্রমশতা বিঘ্নিত হওয়া।
প্রয়োজনীয় জনবল সব সময় পদায়ন / কর্মরত না থাকা ।
সমন্বিত শিশু রোগ চিকিৎসা সেবা
সমন্বয়ের মাধ্যমে ০-৫ বছরের শিশুদের সকল সাধারন রোগ গুলো-জ্বর, ডায়রিয়া, এআরআই, কান পাকা, শিশু অপুষ্টি চিকিৎসা করা এবং মায়েদেরকে সঠিকভাবে বুকের দুধ খাওয়ানোর প্রশিক্ষণ দেয়া
সঠিক তথ্য না পাওয়ার কারণে যথাযথ ভাবে সেবা পাওয়াতে হয়রানী হওযা।
চাহিদা অনুযায়ী সঠিক সংখ্যক প্যারামেডিকস ও নার্স না থাকা।
সময়মতো প্রয়োজনীয় ওষুধ ও লজিষ্টিক সরবরাহ না পাওয়ার কারণে সেবা বিঘ্নিত হওয়া।
প্রজনন স্বাস্থ্য ও গর্ভাবস্থা পরিচর্য্যা প্রসব ও প্রসূতী সেবা
· প্রজনন সক্ষম সকল মহিলাদেরকে ধনুষ্ঠংকারের টিকাদান ও প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক আলোচনা।
· রক্ত শুন্যতা রোধে প্রজনন সক্ষম সকল মহিলাদেরকে আয়রন+ফলিক এসিড বড়ি সরবরাহ।
· সকল গর্ভবতীদের নিয়মিত চেকআপ / প্রয়োজনীয় চিকিৎসা সেবা প্রদান ও রেফারেল,
· প্রসব সেবা (প্রয়োজনে সিজার এবং জটিল প্রসবের ব্যবস্থা করা), প্রসবোত্তর সেবা
· পরিকল্পিত পরিবার গঠনে পরামর্শ দিয়ে জন সংখ্যা নিয়ন্ত্রণ করা।
· সঠিক তথ্য না পাওয়ার কারনে যথাযথ ভাবে সেবা পাওয়াতে হয়রানী হওযা।
· জরুরী এবং জটিল প্রসবের জন্য সার্বক্ষনিক ব্যবস্থা না থাকাতে সেবা প্রাপ্তিতে অসুবিধা।
জরুরী বিভাগে কর্তব্যরত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ ২৪ ঘণ্টা চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেন।
ভর্তি রোগীদের বিনামূল্যে তিন বেলা খাবার সরবরাহ করা হয়।
বিনামূল্যে টিকা প্রদান করা হয়।
যক্ষারোগীদের বিনামূল্যে ঔষধ সরবরাহ করা হয়।
ডায়রিয়া আক্রান্ত রোগীদের খাবার স্যালাইন খাওয়ানো হয়ে থাকে।
মাসিক রোগীদের প্রতিবেদন প্রদানসহ অন্যান্য প্রতিবেদন নিয়মিত ভাবে উর্ধবতন অফিসে প্রেরণ করা হয়।
রাজৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আগত রোগীদের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করা এবং সুস্থ্য জাতি গঠনে শ্রীমংগল হাসপাতালের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সদা সর্বদা এবং তৎপর থাকায় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
১) এম.এন.এইচ প্রকল্প
২) ডি.এস.এফ প্রকল্প(মাতৃ স্বাস্থ্য ভাউচার স্কীম)
ঢাকা থেকে বাস যোগে কালকিনি বাসষ্ট্যান্ড থেকে অটোবাইক, ভ্যান যোগে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
দল/সমিতি ভুক্ত সদস্যদের আয়বর্ধন মূলক কাজের প্রশিক্ষণ (প্রায় ২০টি ট্রেডে সুফলভোগীদের এই প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়)। এছাড়াও বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ওরিয়েনটেশন প্রোগ্রাম,Skill Development প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে।
ফান্ড পরিমাণ কম
সময় মত ফান্ড প্রাপ্তি
দক্ষ ট্রেনার প্রাপ্তি
সঞ্চয় জমা
· ক্ষুদ্র ক্ষুদ সঞ্চয় জমার মাধ্যমে দল/সমিতি ভুক্ত সদস্যদের পুজি গঠন
ব্যাংক কর্তৃক বিভিন্ন চার্জ কর্তন
দল গঠন
সুফলভোগীদের নিয়ে দল/ সমিতি গঠন
·
সামাজিক উন্নয়ন
গৃহপালিত পশু পাখির টিকাদান
জলাবদ্ধ পায়খানা স্থাপন
মৎস্য চাষ উন্নয়ন
উন্নত চুলা তৈরি ও ব্যবহার
বৃক্ষ রোপন
সচেতনতা বৃদ্ধি ও নেতৃত্ব সৃষ্টি
উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ঃ
উপজেলা পর্যায়ে অবস্থিত উপজেলা পলস্নী উন্নয়ন কর্মকর্তা (ইউআরডিও) এর কার্যালয়ের মাধ্যমে যেসব সেবা ও সহযোগিতা
প্রদান করা হয়। সমিতি/ দল(পুরুষ/মহিলা) গঠন, ঋণ গ্রহনে পরামর্শ প্রদান ও এতদসংক্রান্তযাবতীয় তথ্য ফরম সরবরাহ;
সদস্যসের শেয়ার ও সঞ্চয় আমানত সংগ্রহের মাধ্যমে নিজস্ব পূঁজি গঠনে সহায়তাকরণ;
সমিতিরে সদস্যগণকে সহজ শর্তে কৃষি উৎপাদন ও কৃষি উপকরণের জন্য (সার, বীজ, কীটনাশক এবং সেচ যন্ত্রপাতি)
ঋণ প্রদান, (ক) সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে কৃষি ঋণ ও (খ) আবর্তক কৃষি ঋণের ব্যবস্থা করা;
বিভিন্ন প্রকল্প/ কর্মসূচীর আওতায় অনানুষ্ঠিক দল গঠন এবং উৎপাদনমূখী ও আয়বৃদ্ধিমূলক কর্মকান্ডের জন্য ঋণ প্রদান;
আনুষ্ঠানিক সমিতির নিবন্ধনের পরপরই এবং অনানুষ্ঠানিক দল গঠনের ৮ (আট) সপ্তাহ পর সদস্যদের ঋণ প্রদান করা হয়:
সমবায়ীদের উৎপাদিত শস্যের বাজারজাতকরণের সুযোগ সৃষ্টি এবং ন্যায মূল্য প্রাপ্তিতে সহায়তা;
নারীর ক্ষমতায়ন ও নারী নেতৃত্ব বিকাশে সচেতনতা বৃদ্ধি, নারী নির্যাতন রোধ এবং যৌতুক প্রথা নির্মূলে সচেতনতা
সৃষ্টিতে সহায়তা;সদস্যদের বয়স্ক শিক্ষা স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও পরিবার পরিকল্পনা ইত্যাদি বিষয়ে পরামর্শ ও সেবা ;
বৃক্ষরোপন ও স্যানিটেশন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি কল্পে পরামর্শ ও সহযোগিতা;
অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও তাঁদের পোষ্যদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষে নাম মাত্র সেবা মূল্যের বিনিময়ে ঋণ প্রদান;
গ্রামীন দরিদ্র মানুষেরআর্থ-সামাজিক উন্নয়নে সহযোগিতা প্রদান এবং গ্রামীন নেতৃত্বের বিকাশ ও দেশের অর্থনৈকিত
উন্নয়নে দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্তকরণ;
উপজেলা অফিসের কোন কর্মকর্তা/ কর্মচারীর বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে উপজেলা পল্লীউন্নয়ন কর্মকর্তার নিকট
অফিসের উত্থাপন করা হলে তার প্রতিকার করা হবে;
উপজেলা বসবাসরত যে কোন ব্যক্তিকে সেবা সংক্রান্ত তথ্য প্রদানে ও অফিস প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
আজই আপন বি আর ডি বি’র উপজেলা পল্লীউন্নয়ন কর্মকর্তার সংগে যোগাযোগ করে আপনার অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থা
পরিবর্তনের সুযোগ নিন।
বি আর ডি বি আপনাদের সেবায় নিয়োজিত।
একটি বাড়ি একটি খামার প্রকল্প:-
কালকিনি উপজেলার ১৪টি ইউনিয়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রতি ইউনিয়নে নয়টি করে ওয়ার্ড মোট ১২৬টি ওয়ার্ডের (প্রতি ওয়ার্ডে ৬০ পরিবার করে) মোট ৭৫৬০ টি পরিবার এই প্রকল্পের আওতাভূক্ত করা হয়েছে। ২০১০- ২০১১ অর্থ বছরে অত্র উপজেলায় সম্পদ হস্তান্তরের জন্য মোট ২৮,০০,০০০ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গিয়েছে। প্রকল্পের সম্পদ হস্তান্তরের আওতায় সুফলভোগীদের মধ্যে ১০০ জন বকনা গাভী, ৪৪ জন ঢেউ টিন, ৩০ জন হাঁস-মুরগীর বাচ্চা, ৯০ জন গাছের চারা, এবং ১২০ জনের মধ্যে শাক সবজির বীজ বিতরন সম্পন্ন করা হয়েছে।
বর্তমানে সদস্যদের সঞ্চয় ও উৎসাহ সঞ্চয়এর মাধ্যমে পুজি গঠন এবং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে পরিনত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে ।এছাড়াও উপজেলায় পিইপি,সিভিডিপি,সদাবিক.পল্লী প্রগতি প্রকল্প,অপ্রধান শস্য,অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পোষ্যদের আত্মকর্মসংস্থানসুলক কর্মসূচী বাস্তবায়িত হচ্ছে।
ভাতা কর্মসূচি বাস্তবানের সাথে সংশিষ্ট কমিটি তথা স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগীদের সমন্বয় সাধন
স্বল্প জনবল ব্যবহার করে প্রকৃত দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তি চিহ্নিত করে তাদেরকে যথা নিয়মে ভাতা প্রদানের জন্য নির্বাচনপূর্বক ভাতা প্রদান করা
উপকারভোগীর আওতা ও ভাতার পরিমান বৃদ্ধি
ভাতা বিতরণের সাথে সম্পৃক্ত উপকরণ যথাসময়ে সরবরাহ
ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সাথে সম্বয়পূর্বক ভা্তার ভাতার অর্থ যথা সময়ে ভাতাভোগীদের হাতে পৌছে দেয়া।
০৫
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচী
প্রতিবন্ধী ছাত্রদের সঠিক পরিসংখ্যান না থাকা
প্রতিবন্ধীদের নিবন্ধীত না হওয়া
জনবলের অভাব ও স্বল্প জনবল দিয়ে বহুমুখী কর্মসূচি বাস্তবায়ন
উপকারভোগী নির্বাচনে স্থানীয় ও রাজততিক ব্যক্তিদের বহুমুখী প্রভাব
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়ে সাধারণ মানুষের সচেতনতার অভাব
প্রয়োজনের তুলনায় বরাদ্দের অভাব
প্রতিবন্ধী ব্যক্তির নিরক্ষরতা, দারিদ্রতা ও প্রবেশগম্যতার অভাব
প্রতিবন্ধী ছাত্রদের সঠিক পরিসংখ্যান নিরূপন
প্রতিবন্ধী শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচি বাস্তবানের সাথে সংশিষ্ট কমিটি তথা স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও সুবিধাভোগীদের সমন্বয় সাধন
স্বল্প জনবল ব্যবহার করে প্রকৃত দরিদ্র ও প্রতিবন্ধী ছাত্রছাত্রী চিহ্নিত করে তাদেরকে যথা নিয়মে উপবৃত্তি প্রদানের জন্য নির্বাচনপূর্বক উপবৃত্তি প্রদান করা
প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিষয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তোলা
দেশের সকল প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে নিবন্ধনের আওতায় আনা
উপকারভোগীর আওতা ও ভাতার পরিমান বৃদ্ধি
ভাতা বিতরণের সাথে সম্পৃক্ত উপকরণ যথাসময়ে সরবরাহ
ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সাথে সম্বয়পূর্বক ভা্তার ভাতার অর্থ যথা সময়ে ভাতাভোগীদের হাতে পৌছে দেয়া।
৩। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সুরক্ষা, প্রতিপালন, কল্যাণ, উন্নয়ন ও পুনর্বাসন
১
প্রতিবন্ধিতা সনদ
· দৃষ্টি, শ্রবণও মানসিকপ্রতিবন্ধী চিহ্নিত করা;
· চিকিৎসা সেবা,খেলাধুলা, চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা করা;
· শ্রবণ প্রতিবন্ধী ছাত্র/ছাত্রীদের পুনর্বাসন করা;
· দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ছাত্র/ছাত্রীদের জন্য ব্রেইল পদ্ধতিতে শিক্ষা দান;
· প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের কর্মসংস্থান ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা;
· প্রশিক্ষণ শেষে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা;
· বেসরকারি ও সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাকুরী প্রাপ্তিতে;
· বিশেষ পদ্ধতিতে মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের শিক্ষা প্রদান;
· ফিজিওথেরাপি, সাইকোথেরাপি ও স্পিচথেরাপি প্রদান;
· প্রতিবন্ধীকল্যাণ আইনের সুফল সর্ম্পকে প্রচার না থাকা।
দৃষ্টি, শ্রবণও মানসিক প্রতিবন্ধীসহ সকল ধরণের প্রতিবন্ধীরঊন্নয়নেসরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেরসমন্বয়।
৪। ভবঘুরে ও সামাজিক অপরাধপ্রবণদের উন্নয়ন ও পুনর্বাসন
১
প্রবেসনওআফটারকেয়ারসাভিসেসকমসুচি
· মাননীয় আদালতের নির্দেশে প্রথম ও লঘু অপরাধে দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের শাস্তি প্রদান স্থগিত রেখে প্রবেশন অফিসারের তত্ত্বাবধানে পারিবারিক/সামাজিক পরিবেশে রেখে যে,সংশোধন ও আত্মশুদ্ধির ব্যবস্থা করা যায় তার প্রচার না থাকা;
· কারবন্দী ব্যক্তিদের শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান।
· পুনর্বাসন ও স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।
বেসরকারি এতিমখানায়আধুনিক শিক্ষাসহ দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণচাল করা ।
৩
সমাজকল্যাণ পরিষদের মাধ্যমে নিবন্ধনপ্রাপ্ত সংস্থাসমূহে অনুদান প্রদানে সহায়তা
· সমাজসেবা অধিদফতর হতে ঘোষিত জাতীয় পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানসমূহে বরাদ্দ প্রাপ্ত অনুদানের সঠিক ব্যবহারের তদারকী;
· জনবল সহ লজিস্টিক সাপোটের সল্পতার কারনে নিবন্ধন প্রাপ্ত স্বেচছাসেবী সংগঠনসমূহের আয়বর্ধক কর্মসূচিতে বরাদ্দ প্রাপ্ত অনুদানের সঠিক ব্যবহারের তদারকী;
· নিবন্ধন প্রাপ্ত স্বেচছাসেবী সংগঠনসমূহের জন্য ৫ হাজার হতে ২০ হাজার টাকা সাধারণ অনুদান এবং আয়বর্ধক কর্মসূচির জন্য সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা অনুদান তেমন কোন কাজে আসে না;
· অনেক সময় নাম সবর্স্ব সমিতি রেজিষ্ট্রশন প্রভাব খাটিয়ে পরে তাদের কাযর্ক্রম খুজে পাওয়া যায় না।
· অনুদানের সময় অনেক ভুয়া সমিতির উদ্ভব হয়।
ব্যাপক প্রচারের মআধ্যমে স্বেচছাসেবী সংগঠনসমূহকেজনবান্ধরমুখী করা।
৪
স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা/প্রতিষ্ঠান সমূহের সাথে উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা
· অসহায় দূঃস্থ রোগীদের অধিকার সুরক্ষা, কল্যাণ ও পুনর্বাসনে সহায়তা প্রদান;
· যে সমসত্ম প্রতিষ্ঠান সমাজের অনগ্রসর পশ্চাৎপদ অবহেলিত, এতিম, প্রতিবন্ধী, দুস্থ, সমস্যাগ্রসত্ম ব্যক্তিদের সেবা দিয়ে থাকে তাদের প্রকল্প প্রণয়নে সহায়তা প্রদান;
· স্বাস্থ্যসেবা প্রকল্পের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের মাধ্যমে ৩০% রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান;
· বিনামূল্যে দুস্থ, এতিম, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের প্রত্যাশী সংস্থার মাধ্যমে প্রতিপালন ও পুনর্বাসন।
বাস্স্তবে স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানগুলো তা প্রতিপালন করে না।
· বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান যারা সমাজসেবা মূল কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত;
Ø স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে ডায়বেটিক, হার্ট, চক্ষু, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের জন্য সেবা দানকারী প্রতিষ্ঠান;
Ø বেসরকারি স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান এর মাধ্যমে দরিদ্র, সমস্যাগ্রসত্ম, প্রতিবন্ধী, ব্যক্তি/শিশু এবং রোগী।বাস্তবে এগুলো বাস্তবায়নে স্বেচছাসেবী সংগঠনসমূহকেজনবান্ধরমুখী
ক্র: নং
কার্যক্রম
সেবা
সেবা গ্রহীতা
সেবা প্রাপ্তির সময়সীমা
সেবাদানকারী কর্তৃপক্ষ
১.
পললীসমাজসেবা (আর,এস,এস) কার্যক্রম।
ক) পল্লী অঞ্চলের দরিদ্র জনগণকে সংগঠিত করে উন্নয়নের মূলª্রাতধারায় আনায়ন।
খ) সচেতনতা বৃদ্ধি, উদ্বুদ্ধকরণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান।
গ) ৫ হাজার হতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষুদ্রঋণ প্রদান।
ঘ) লক্ষ্যভুক্ত ব্যক্তিদের নিজস্ব পুঁজি গঠনের জন্য সঞ্চয় বৃদ্ধি করণ।
নির্বাচিত গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা যিনি:
ক) আর্থ সামাজিক জরিপের মাধ্যমে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের তালিকাভুক্ত পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রমের কর্মদলের সদস্য/ সদস্যা।
খ) সুদ মুক্ত ঋণ ও অন্যান্য সেবা প্রাপ্তির জন্য ‘‘ক’’ ও ‘‘খ’’ শ্রেণীভূক্ত দরিদ্রতম ব্যক্তি অর্থাৎ যার মাথাপিছু বার্ষিক পারিবারিক আয় সবোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।
গ) সুদ মুক্ত ঋণ ব্যতীত অন্যান্য সেবা প্রাপ্তির জন্য ‘‘গ’’ শ্রেণীভুক্ত অর্থাৎ যার মাথাপিছু বার্ষিক পারিবারিক আয় ২৫ হাজার টাকার উর্ধে।
নির্ধারিত ফর্মে যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করে আবেদনের পর:
ক) ১ম বার ঋণ (বিনিয়োগ) গ্রহনের জন্য আবেদনের পর ১(এক) মাসের মধ্যে।
খ) ২য়/৩য় পর্যায়ে ঋণ (পুন:বিনিয়োগ) গ্রহনের জন্য আবেদনের পর ২০ দিনের মধ্যে।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়,
২.
পল্লীমাতৃকেন্দ্র (আর,এম,সি) কার্যক্রম।
ক) পললী অঞ্চলের দরিদ্র জনগণকে সংগঠিত করে উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় আনায়ন।
খ) সচেতনতা বৃদ্ধি, উদ্বুদ্ধকরণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান।
গ) ৫ হাজার হতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষুদ্রঋণ প্রদান।
ঘ) লক্ষ্যভুক্ত ব্যক্তিদের নিজস্ব পুঁজি গঠনের জন্য সঞ্চয় বৃদ্ধি করণ।
নির্বাচিত গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা যিনি:
ক) আর্থ সামাজিক জরিপের মাধ্যমে উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের তালিকাভুক্ত পল্লী সমাজসেবা কার্যক্রমের কর্মদলের সদস্য/ সদস্যা।
খ) সুদ মুক্ত ঋণ ও অন্যান্য সেবা প্রাপ্তির জন্য ‘‘ক’’ ও ‘‘খ’’ শ্রেণীভূক্ত দরিদ্রতম ব্যক্তি অর্থাৎ যার মাথাপিছু বার্ষিক পারিবারিক আয় সবোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত।
গ) সুদ মুক্ত ঋণ ব্যতীত অন্যান্য সেবা প্রাপ্তির জন্য ‘‘গ’’ শ্রেণীভুক্ত অর্থাৎ যার মাথাপিছু বার্ষিক পারিবারিক আয় ২৫ হাজার টাকার উর্ধে।
নির্ধারিত ফর্মে যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করে আবেদনের পর:
ক) ১ম বার ঋণ (বিনিয়োগ) গ্রহনের জন্য আবেদনের পর ১(এক) মাসের মধ্যে।
খ) ২য়/৩য় পর্যায়ে ঋণ (পুন:বিনিয়োগ) গ্রহনের জন্য আবেদনের পর ২০ দিনের মধ্যে।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়,
৩.
এসিডদগ্ধ মহিলা ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের পুনর্বাসন কার্যক্রম।
৫ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা ক্ষুদ্রাঋণ।
এসিডদগ্ধ মহিলা ও শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি যাদের বাৎসরিক আয় ২০ হাজার টাকার নীচে।
নির্ধারিত ফর্মে যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করে আবেদনের পর:
ক) ১ম বার ঋণ (বিনিয়োগ) গ্রহনের জন্য আবেদনের পর ১(এক) মাসের মধ্যে।
খ) ২য়/৩য় পর্যায়ে ঋণ (পুন:বিনিয়োগ) গ্রহনের জন্য আবেদনের পর ২০ দিনের মধ্যে।
গ) সচেতনতা বৃদ্ধি, উদ্বুদ্ধকরণ এবং দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান।
ঘ) ৫ হাজার হতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ক্ষুদ্রঋণ প্রদান।
ঙ) লক্ষ্যভুক্ত ব্যক্তিদের নিজস্ব পুঁজি গঠনের জন্য সঞ্চয় বৃদ্ধি করণ।
ক) নির্বাচিত আশ্রয়ন কেন্দ্রেও বাসিন্দা।
খ) আশ্রয়ন কেন্দ্রেও সমিতির সদস্য।
নির্ধারিত ফর্মে যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করে আবেদনের পর:
ক) ১ম বার ঋণ (বিনিয়োগ) গ্রহনের জন্য আবেদনের পর ১(এক) মাসের মধ্যে।
খ) ২য়/৩য় পর্যায়ে ঋণ (পুন:বিনিয়োগ) গ্রহনের জন্য আবেদনের পর ২০ দিনের মধ্যে।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়,
৫.
বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম।
সরকার কর্তৃক সামাজিক নিরাপত্তার জন্য নির্ধারিত হারে বয়স্কভাতা প্রদান। এ জন্য ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে নির্বাচিত বয়স্ক ব্যক্তিদের জনপ্রতি মাসিক ২৫০ এবং বর্তমানে মাসিক ৩৫০/- টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
ক) পৌরসভা ও উপজেলার ৬৫ বছর বা তদুর্ধ বয়সী হত দরিদ্র পুরুষ বা মহিলা যার মাসিক গড় আয় অনুর্ধ ৩ হাজার টাকা।
খ) শারীরিক ভাবে অক্ষম ও কর্মক্ষমহীন প্রবীন পুরুষ ও মহিলাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
ক) বরাদ্দ প্রাপ্তির সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৩ মাসের মধ্যে নতুন ভাতাভোগী নির্বাচন সহ ভাতা বিতরনের ব্যবস্থা গ্রহন।
খ) নির্বাচিত ভাতাভোগীকে বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রতিমাসে প্রদান করা হবে। তবে কেউ এককালীন উত্তোলন করতে চাইলে তিনি নির্ধারিত সময়ের শেষে উত্তোলন করবেন।
গ) ভাতা গ্রহীতার নমিনী ভাতাভোগীর মৃত্যুর পূর্বে প্রাপ্ত বকেয়া টাকা এবং মৃত্যুর পর ৩ মাস পর্যন্ত ভাতার টাকা উত্তোলন করা যাবে।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়,
৬.
অস্বচ্ছল প্রতিবন্ধী ভাতা কার্যক্রম।
সরকার কর্তৃক সামাজিক নিরাপত্তার জন্য নির্ধারিত হারে বয়স্কভাতা প্রদান। এ জন্য ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে নির্বাচিত বয়স্ক ব্যক্তিদের জনপ্রতি মাসিক ২৫০ এবং বর্তমানে মাসিক ৩৫০/- টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
নির্বাচিত গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা যিনি:
ক) ৬ বছরের উর্ধে সকল ধরণের প্রতিবন্ধী ব্যক্তি যিনি বয়স্কভাতা কিংবা সরকার কর্তৃক অন্য কোন ভাতা পান না। যিনি চাকুরিজীবী কিংবা পেনশনভোগী নন।
খ) প্রতিবন্ধী ব্যক্তি যাদের বার্ষিক মাথাপিছু পারিবারিক আয় ২৪ হাজার টাকার কম।
ক) বরাদ্দ প্রাপ্তির সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৩ মাসের মধ্যে নতুন ভাতাভোগী নির্বাচন সহ ভাতা বিতরনের ব্যবস্থা গ্রহন।
খ) নির্বাচিত ভাতাভোগীকে বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রতিমাসে প্রদান করা হবে। তবে কেউ এককালীন উত্তোলন করতে চাইলে তিনি নির্ধারিত সময়ের শেষে উত্তোলন করবেন।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়,
ক্র: নং
কার্যক্রম
সেবা
সেবা গ্রহীতা
সেবা প্রাপ্তির সময়সীমা
সেবাদানকারী কর্তৃপক্ষ
৭.
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদেও জন্য শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রম।
প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের ৪ টি স্তরে বিভক্ত কওে নিম্নহারে উপবৃত্তি প্রদান:
ক) প্রাথমিক স্তর :-
(১ম-৫ম শ্রেণী) জনপ্রতি মাসিক ৩০০ টাকা।
খ) মাধ্যমিক স্তর:-
(৬ষ্ঠ-১০ম শ্রেণী) জনপ্রতি মাসিক ৪৫০ টাকা।
গ) উচ্চ মাধ্যমিক স্তর:-
(একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী) জনপ্রতি মাসিক ৬০০ টাকা।
ঘ) উচ্চতর স্তর:-
(স্নাতক ও স্নাতকোত্তর)
জনপ্রতি মাসিক ১০০০ টাকা।
সরকার কর্তৃক অনুমোদিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়নরত ৫ বছরের উর্ধে প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রী, যাদেও বার্ষিক মাথাপিছু পারিবারিক আয় ৩৬ হাজার টাকার নিচে।
বরাদ্দ প্রাপ্তির সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৩ মাসের মধ্যে নতুন উপবৃত্তি গ্রহনকারী নির্বাচন সহ উপবৃত্তি বিতরণ এবং নিয়মিতভাবে শিক্ষাকালীন সময়ে।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়,
৮.
মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা কার্যক্রম।
সরকার কর্তৃক নির্ধারিত হারে ভাতা প্রদান। এ জন্য ২০০৮-০৯ অর্থ বছরে নির্বাচিত মুক্তিযোদ্ধাকে জনপ্রতি মাসিক ৯০০/- এবং বর্তমানে মাসিক ২০০০/-টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
ক) মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা বিধাব স্ত্রী যার বার্ষিক আয় ১২ হাজার টাকার উর্ধে নয়।
খ) মুক্তিযোদ্ধা বলতে জাতীয়ভাবে প্রকাশিত ৪টি তালিকার কমপক্ষে ২টি তালিকায় অন্তর্ভুক্ত সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ এবং বাংলাদেশ রাইফেলস্ হতে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় যাদের নাম অন্তর্ভুক্ত আছে বা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত গেজেট বা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় কর্তৃক মুক্তিযোদ্ধা সনদপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা।
ক) বরাদ্দ প্রাপ্তির সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৬ মাসের মধ্যে নতুন ভাতাভোগী নির্বাচন সহ ভাতা বিতরণের ব্যবস্থা গ্রহন।
খ) মুক্তিযোদ্ধা সম্মানীভাতা প্রতিমাসে প্রদান করা হয়, তবে কেউ ইচ্ছা করলে একাধিক মাসের বকেয়াভাতা একত্রে উত্তোলন করতে পারবেন।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়,
৯.
বিধাব ও স্বামী পরিত্যক্তা দু:স্থ মহিলা ভাতা কার্যক্রম।
সরকার কর্তৃক সামাজিক নিরাপত্তার জন্য নির্ধারিত হাওে বিধাব ও স্বামী পরিত্যক্তা দু:স্থ মহিলাদেরকে ভাতা প্রদান। এ জন্য ২০১০-১১ অর্থ বছরে নির্বাচিত বিধাব ও স্বামী পরিত্যক্তা দু:স্থ মহিলাকে জনপ্রতি মাসিক ৩০০ টাকা হাওে ভাতা প্রদান করা হচ্ছে।
ক) বয়:বৃদ্ধ অসহায় ও দু:স্থ বিধাব বা স্বামী পরিত্যক্তা মহিলারা অগ্রাধিকার পাবে।
খ) যিনি দু:স্থ অসহায় প্রায় ভূমিহীন বিধাব বা স্বামী পরিত্যক্তা এবং যার ১৬ বছরের নিচে দুটি সন্তান রয়েছে।
গ) দু:স্থ দরিদ্র বিধাব ও স্বামী পরিত্যক্তাদের মধ্যে যারা প্রতিবন্ধী ও অসুস্থ তারা অগ্রাধিকার পাবে।
ক) বরাদ্দ প্রাপ্তির সাপেক্ষে সর্বোচ্চ ৩ মাসের মধ্যে নতুন ভাতাভোগী নির্বাচন সহ ভাতা বিতরনের ব্যবস্থা গ্রহন।
খ) নির্বাচিত ভাতাভোগীকে বরাদ্দ প্রাপ্তি সাপেক্ষে প্রতিমাসে প্রদান করা হবে। তবে কেউ এককালীন উত্তোলন করতে চাইলে তিনি নির্ধারিত সময়ের শেষে উত্তোলন করবেন।
গ) ভাতা গ্রহীতার নমিনী ভাতাভোগীর মৃত্যুর পূর্বে প্রাপ্ত বকেয়া টাকা এবং মৃত্যুর পর ৩ মাস পর্যন্ত ভাতার টাকা উত্তোলন করা যাবে।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়,
১০.
প্রবেশন ও আফটার কেয়ার কর্মসূচী বাস্তবায়ন।
ক) মাননীয় আদালতের নির্দেশে প্রথম ও লঘু অপরাধের দন্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের শাস্তি প্রদান স্থগিত রেখে প্রবেশন অফিসারের তত্ত্বাবধানে পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশে রেখে সংশোধন ও আত্মশুদ্ধির ব্যবস্থা করা।
খ) কারাবন্দি ব্যক্তিদেও শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান।
গ) টাস্কফোর্স কমিটির সহায়তায় কারাগাওে বন্দী শিশু কিশোরদেরকে মুক্ত কওে কিশোর-কিশোরী উন্নয়ন কেন্দ্রে স্থানান্তর।
ক) সংশ্লিষ্ট আদালত কর্তৃক সাজাপ্রাপ্ত প্রবেশনার ব্যক্তি।
খ) আইনের সংস্পর্শে আসা শিশু কিশোর।
ক) বিজ্ঞ আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়সীমা/প্রদত্ত আদেশ
খ) পুনর্বাসনের বিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা কার্যক্রম প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির অনুমোদন প্রাপ্তির পর ২০ কর্মদিবসের মধ্যে।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়,
১১.
স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণ সংস্থা সমূহ নিবন্ধন ও তত্ত্বাবধান।
খ) ১৯৬১ সালের স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সমূহ (নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রন) অধ্যাদেশের ২(চ) ধারায় বর্ণিত সেবামূলক কার্যক্রমে আগ্রহী সংস্থা / প্রতিষ্ঠান / সংগঠন / বেসরকারী এতিমখানা / ক্লাব নিবন্ধন।
গ) নিবন্ধন প্রাপ্ত সংগঠন সমূহের কার্যক্রম তদারকি।
স্বেচ্ছাসেবী সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রমে
আগ্রহী সংস্থা/ প্রতিষ্ঠান/ সংগঠন/ ক্লাব/ সমিতি ইত্যাদি।
ক) নামের ছাড়পত্রের বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আবেদনপত্র প্রাপ্তির পর ৫-কর্মদিবস।
খ) নিবন্ধন সংক্রান্ত সরেজমিনে তদন্তপত্র পত্র প্রাপ্তির ২০ কর্ম দিবস।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়,
১২.
বেসরকারী এতিমখানায় ক্যাপিটেশন গ্রান্ট প্রদান।
ক) ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত এতিম শিশুদেও প্রতিপালন।
খ) আনুষ্ঠানিক শিক্ষা ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ প্রদান।
গ) পুনর্বাসন ও স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে তাদেও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।
ঘ) শিশু পরিপূর্ণ বিকাশে সহায়তা করা।
বেসরকারী এতিমখানায় ৫-৯ বছর বয়সী এতিম অর্থাৎ পিতৃ-মাতৃহীন দরিদ্র শিশুর শতকরা ৫০ ভাগ শিশু।
ক্যাপিটেশন গ্রান্ট মঞ্জুরীপ্রাপ্ত বেসরকারী এতিমখানা কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিল দাখিলের পরবর্তী ৭কর্মদিবসে বিল পাশ।
উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়,
১৩.
সমাজকল্যাণ পরিষদের মাধ্যমে নিবন্ধন প্রাপ্ত সংস্থা সমূহে অনুদান প্রদানে সহায়তা।
ক) নিবন্ধন প্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সমূহের আয়বর্ধক কর্মসূচীর জন্য অনুদান।
খ) নিবন্ধন প্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সমূহের জন্য ৫ হাজার টাকা হতে ২০ হাজার টাকা সাধারণ অনুদান এবং আয়বর্ধক কর্মসূচীর জন্য সর্বোচ্চ ১ লক্ষ টাকা অনুদান।
সমাজকল্যাণ পরিষদ থেকে নিম্নোক্ত প্রতিষ্ঠান/ সংগঠনকে অনুদান প্রদান করা হয়:-
ক) সমাজসেবা অধিদফতর কর্তৃক নিবন্ধন প্রাপ্ত সাধারণ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
খ) বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান।
গ) দরিদ্র/ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি।
ক) বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদে প্রতি বছর আগষ্ট মাসে জাতীয় দৈনিক পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আবেদন করতে হয়।
খ) বিজ্ঞপ্তির নির্ধারিত সময়সূচীর মধ্যে উপজেলা সমাজকল্যাণ পরিষদেও সুপারিশসহ জেলা সমাজকল্যাণ পরিষদে প্রেরন।
১। ট্রাভার্সঃ- কোন মৌজার নকশা সম্পূর্ন নতুন করে প্রস্ত্তরত করতে সরজমিনের সাথে সংঙ্গতী রেখে একটি নির্দিষ্ট স্কেলে প্রাথমিক ভাবে নকশা প্রস্ত্ততের যে কাঠামো স্থাপন করা হয় সেটাই ট্রাভার্স।
২। কিস্তোয়ারঃ- এইস্তরে আমিন দল ভূমি মালিকগন কর্তৃক চিহ্নিত আইল/সীমানা প্রতি খন্ড জমি পরিমাপ করে মৌজার নকশা অংকন কিস্তোয়ার অথবা ব্লুপ্রিন্টে পুরোনো নকশা সংশোর্ধন করেন।
৩। খানাপুরীঃ- কিস্তোয়ার স্তরে অঙ্কিত নকশার প্রত্যেকটি দাগে সরোজমিনে উপস্থিত হয়ে আমিনগন জমির দাগনম্বর দিবেন এবং মালিকের রেকর্ড দলিলপত্র ও দখল যাচাই করে প্রাথমিক ভাবে মালিকের নাম ঠিকানা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য খতিয়ানে লিপি বদ্ধ করেন।
৪। বুঝারতঃ- বুঝারত অর্থ জমি বুঝিয়ে দেওয়া। এস্তরে নতুন আমিনদল কর্তৃক খতিয়ান বা পর্চায় জমির পরিমন উল্লেখ করে বিনা মূল্যে উক্ত পর্চা জমির মালিক কে সরবরাহ করে বুঝারতে যা মাঠ পর্চা নামে পরিচিত।
৫। খানাপুরী কামবুঝারতঃ- যখন কোন মৌজার ব্লুপ্রিন্ট সীটের জরীপ কাজ করা হয় তখন খানাপুরী ও বুঝারত স্তরের কাজ একসাথে করা হয়।
৬। তসদিক বা এ্যাটেষ্টেশনঃ- ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদিত হয় ক্যাম্প অফিসে। খানাপুরী ও বুঝারত স্তরে খতিয়ান প্রনিত হয় মৌসুমী কর্মচারী বা আমিন দ্বারা। তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদন করেন একজন কানুনগো বা রাজস্ব অফিসার।
৭। খসড়া প্রকাশনা (ডিপি ও আপত্তি দায়ের)ঃ- তসদিক সমাপ্তির পর কোন এলাকার জমির প্রনীত রেকর্ড (খসড়া প্রকাশনা ডিপি) সর্ব সাধারনের প্রদর্শনের জন্য মৌজা ভিত্তিক ৩০ দিন উন্মক্ত রাখা হয়। খসড়া প্রকাশনা উন্মক্ত রাখার সময় কাল উল্লেখ পূর্বক ক্যাম্প অফিস হতে এ জন্য বিজ্ঞপ্তি ও প্রচার করা হয়।
৮। আপত্তি শুনানীঃ- ডিপি চলা কালে গৃহীত আপত্তি মামলা সমূহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগন কে নোটিস ইসু মারফত জ্ঞাত করে নির্দিষ্ট তারিখ সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে বিজ্ঞপ্তি করা হয়।
৯। আপিল শুনানীঃ- আপত্তির রায়ের সংক্ষুদ্ধ কোন পক্ষ ৩১ বিধিতে আপিল দায়ের করলে এ পর্যায়ে এসকল আপিলের শুনানী ও নিস্পত্তি করা হয়।
১০। চুড়ান্ত প্রকাশনাঃ- উপরোক্ত স্তরসমূহের কাজ সমাপ্তির পর আনুষঙ্গিক কার্যাদি সম্পর্ন করে পর্চা ও নকশা মুদ্রন করা হয়। মুদ্রিত নকশা ও পর্চা পূনঃ পরিক্ষা করে তাহা চুরান্ত প্রকাশান দেওয়া হয়।
সেবা সমূহঃ
১। ট্রাভার্সঃ- কোন মৌজার নকশা সম্পূর্ন নতুন করে প্রস্ত্তরত করতে সরজমিনের সাথে সংঙ্গতী রেখে একটি নির্দিষ্ট স্কেলে প্রাথমিক ভাবে নকশা প্রস্ত্ততের যে কাঠামো স্থাপন করা হয় সেটাই ট্রাভার্স।
২। কিস্তোয়ারঃ- এইস্তরে আমিন দল ভূমি মালিকগন কর্তৃক চিহ্নিত আইল/সীমানা প্রতি খন্ড জমি পরিমাপ করে মৌজার নকশা অংকন কিস্তোয়ার অথবা ব্লুপ্রিন্টে পুরোনো নকশা সংশোর্ধন করেন।
৩। খানাপুরীঃ- কিস্তোয়ার স্তরে অঙ্কিত নকশার প্রত্যেকটি দাগে সরোজমিনে উপস্থিত হয়ে আমিনগন জমির দাগনম্বর দিবেন এবং মালিকের রেকর্ড দলিলপত্র ও দখল যাচাই করে প্রাথমিক ভাবে মালিকের নাম ঠিকানা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য খতিয়ানে লিপি বদ্ধ করেন।
৪। বুঝারতঃ- বুঝারত অর্থ জমি বুঝিয়ে দেওয়া। এস্তরে নতুন আমিনদল কর্তৃক খতিয়ান বা পর্চায় জমির পরিমন উল্লেখ করে বিনা মূল্যে উক্ত পর্চা জমির মালিক কে সরবরাহ করে বুঝারতে যা মাঠ পর্চা নামে পরিচিত।
৫। খানাপুরী কামবুঝারতঃ- যখন কোন মৌজার ব্লুপ্রিন্ট সীটের জরীপ কাজ করা হয় তখন খানাপুরী ও বুঝারত স্তরের কাজ একসাথে করা হয়।
৬। তসদিক বা এ্যাটেষ্টেশনঃ- ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদিত হয় ক্যাম্প অফিসে। খানাপুরী ও বুঝারত স্তরে খতিয়ান প্রনিত হয় মৌসুমী কর্মচারী বা আমিন দ্বারা। তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদন করেন একজন কানুনগো বা রাজস্ব অফিসার।
৭। খসড়া প্রকাশনা (ডিপি ও আপত্তি দায়ের)ঃ- তসদিক সমাপ্তির পর কোন এলাকার জমির প্রনীত রেকর্ড (খসড়া প্রকাশনা ডিপি) সর্ব সাধারনের প্রদর্শনের জন্য মৌজা ভিত্তিক ৩০ দিন উন্মক্ত রাখা হয়। খসড়া প্রকাশনা উন্মক্ত রাখার সময় কাল উল্লেখ পূর্বক ক্যাম্প অফিস হতে এ জন্য বিজ্ঞপ্তি ও প্রচার করা হয়।
৮। আপত্তি শুনানীঃ- ডিপি চলা কালে গৃহীত আপত্তি মামলা সমূহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগন কে নোটিস ইসু মারফত জ্ঞাত করে নির্দিষ্ট তারিখ সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে বিজ্ঞপ্তি করা হয়।
৯। আপিল শুনানীঃ- আপত্তির রায়ের সংক্ষুদ্ধ কোন পক্ষ ৩১ বিধিতে আপিল দায়ের করলে এ পর্যায়ে এসকল আপিলের শুনানী ও নিস্পত্তি করা হয়।
১০। চুড়ান্ত প্রকাশনাঃ- উপরোক্ত স্তরসমূহের কাজ সমাপ্তির পর আনুষঙ্গিক কার্যাদি সম্পর্ন করে পর্চা ও নকশা মুদ্রন করা হয়। মুদ্রিত নকশা ও পর্চা পূনঃ পরিক্ষা করে তাহা চুরান্ত প্রকাশান দেওয়া হয়।
সেবা সমূহঃ
১। ট্রাভার্সঃ- কোন মৌজার নকশা সম্পূর্ন নতুন করে প্রস্ত্তরত করতে সরজমিনের সাথে সংঙ্গতী রেখে একটি নির্দিষ্ট স্কেলে প্রাথমিক ভাবে নকশা প্রস্ত্ততের যে কাঠামো স্থাপন করা হয় সেটাই ট্রাভার্স।
২। কিস্তোয়ারঃ- এইস্তরে আমিন দল ভূমি মালিকগন কর্তৃক চিহ্নিত আইল/সীমানা প্রতি খন্ড জমি পরিমাপ করে মৌজার নকশা অংকন কিস্তোয়ার অথবা ব্লুপ্রিন্টে পুরোনো নকশা সংশোর্ধন করেন।
৩। খানাপুরীঃ- কিস্তোয়ার স্তরে অঙ্কিত নকশার প্রত্যেকটি দাগে সরোজমিনে উপস্থিত হয়ে আমিনগন জমির দাগনম্বর দিবেন এবং মালিকের রেকর্ড দলিলপত্র ও দখল যাচাই করে প্রাথমিক ভাবে মালিকের নাম ঠিকানা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য খতিয়ানে লিপি বদ্ধ করেন।
৪। বুঝারতঃ- বুঝারত অর্থ জমি বুঝিয়ে দেওয়া। এস্তরে নতুন আমিনদল কর্তৃক খতিয়ান বা পর্চায় জমির পরিমন উল্লেখ করে বিনা মূল্যে উক্ত পর্চা জমির মালিক কে সরবরাহ করে বুঝারতে যা মাঠ পর্চা নামে পরিচিত।
৫। খানাপুরী কামবুঝারতঃ- যখন কোন মৌজার ব্লুপ্রিন্ট সীটের জরীপ কাজ করা হয় তখন খানাপুরী ও বুঝারত স্তরের কাজ একসাথে করা হয়।
৬। তসদিক বা এ্যাটেষ্টেশনঃ- ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদিত হয় ক্যাম্প অফিসে। খানাপুরী ও বুঝারত স্তরে খতিয়ান প্রনিত হয় মৌসুমী কর্মচারী বা আমিন দ্বারা। তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদন করেন একজন কানুনগো বা রাজস্ব অফিসার।
৭। খসড়া প্রকাশনা (ডিপি ও আপত্তি দায়ের)ঃ- তসদিক সমাপ্তির পর কোন এলাকার জমির প্রনীত রেকর্ড (খসড়া প্রকাশনা ডিপি) সর্ব সাধারনের প্রদর্শনের জন্য মৌজা ভিত্তিক ৩০ দিন উন্মক্ত রাখা হয়। খসড়া প্রকাশনা উন্মক্ত রাখার সময় কাল উল্লেখ পূর্বক ক্যাম্প অফিস হতে এ জন্য বিজ্ঞপ্তি ও প্রচার করা হয়।
৮। আপত্তি শুনানীঃ- ডিপি চলা কালে গৃহীত আপত্তি মামলা সমূহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগন কে নোটিস ইসু মারফত জ্ঞাত করে নির্দিষ্ট তারিখ সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে বিজ্ঞপ্তি করা হয়।
৯। আপিল শুনানীঃ- আপত্তির রায়ের সংক্ষুদ্ধ কোন পক্ষ ৩১ বিধিতে আপিল দায়ের করলে এ পর্যায়ে এসকল আপিলের শুনানী ও নিস্পত্তি করা হয়।
১০। চুড়ান্ত প্রকাশনাঃ- উপরোক্ত স্তরসমূহের কাজ সমাপ্তির পর আনুষঙ্গিক কার্যাদি সম্পর্ন করে পর্চা ও নকশা মুদ্রন করা হয়। মুদ্রিত নকশা ও পর্চা পূনঃ পরিক্ষা করে তাহা চুরান্ত প্রকাশান দেওয়া হয়।
সেবা সমূহঃ
১। ট্রাভার্সঃ- কোন মৌজার নকশা সম্পূর্ন নতুন করে প্রস্ত্তরত করতে সরজমিনের সাথে সংঙ্গতী রেখে একটি নির্দিষ্ট স্কেলে প্রাথমিক ভাবে নকশা প্রস্ত্ততের যে কাঠামো স্থাপন করা হয় সেটাই ট্রাভার্স।
২। কিস্তোয়ারঃ- এইস্তরে আমিন দল ভূমি মালিকগন কর্তৃক চিহ্নিত আইল/সীমানা প্রতি খন্ড জমি পরিমাপ করে মৌজার নকশা অংকন কিস্তোয়ার অথবা ব্লুপ্রিন্টে পুরোনো নকশা সংশোর্ধন করেন।
৩। খানাপুরীঃ- কিস্তোয়ার স্তরে অঙ্কিত নকশার প্রত্যেকটি দাগে সরোজমিনে উপস্থিত হয়ে আমিনগন জমির দাগনম্বর দিবেন এবং মালিকের রেকর্ড দলিলপত্র ও দখল যাচাই করে প্রাথমিক ভাবে মালিকের নাম ঠিকানা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য খতিয়ানে লিপি বদ্ধ করেন।
৪। বুঝারতঃ- বুঝারত অর্থ জমি বুঝিয়ে দেওয়া। এস্তরে নতুন আমিনদল কর্তৃক খতিয়ান বা পর্চায় জমির পরিমন উল্লেখ করে বিনা মূল্যে উক্ত পর্চা জমির মালিক কে সরবরাহ করে বুঝারতে যা মাঠ পর্চা নামে পরিচিত।
৫। খানাপুরী কামবুঝারতঃ- যখন কোন মৌজার ব্লুপ্রিন্ট সীটের জরীপ কাজ করা হয় তখন খানাপুরী ও বুঝারত স্তরের কাজ একসাথে করা হয়।
৬। তসদিক বা এ্যাটেষ্টেশনঃ- ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদিত হয় ক্যাম্প অফিসে। খানাপুরী ও বুঝারত স্তরে খতিয়ান প্রনিত হয় মৌসুমী কর্মচারী বা আমিন দ্বারা। তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদন করেন একজন কানুনগো বা রাজস্ব অফিসার।
৭। খসড়া প্রকাশনা (ডিপি ও আপত্তি দায়ের)ঃ- তসদিক সমাপ্তির পর কোন এলাকার জমির প্রনীত রেকর্ড (খসড়া প্রকাশনা ডিপি) সর্ব সাধারনের প্রদর্শনের জন্য মৌজা ভিত্তিক ৩০ দিন উন্মক্ত রাখা হয়। খসড়া প্রকাশনা উন্মক্ত রাখার সময় কাল উল্লেখ পূর্বক ক্যাম্প অফিস হতে এ জন্য বিজ্ঞপ্তি ও প্রচার করা হয়।
৮। আপত্তি শুনানীঃ- ডিপি চলা কালে গৃহীত আপত্তি মামলা সমূহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগন কে নোটিস ইসু মারফত জ্ঞাত করে নির্দিষ্ট তারিখ সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে বিজ্ঞপ্তি করা হয়।
৯। আপিল শুনানীঃ- আপত্তির রায়ের সংক্ষুদ্ধ কোন পক্ষ ৩১ বিধিতে আপিল দায়ের করলে এ পর্যায়ে এসকল আপিলের শুনানী ও নিস্পত্তি করা হয়।
১০। চুড়ান্ত প্রকাশনাঃ- উপরোক্ত স্তরসমূহের কাজ সমাপ্তির পর আনুষঙ্গিক কার্যাদি সম্পর্ন করে পর্চা ও নকশা মুদ্রন করা হয়। মুদ্রিত নকশা ও পর্চা পূনঃ পরিক্ষা করে তাহা চুরান্ত প্রকাশান দেওয়া হয়।
সেবা সমূহঃ
১। ট্রাভার্সঃ- কোন মৌজার নকশা সম্পূর্ন নতুন করে প্রস্ত্তরত করতে সরজমিনের সাথে সংঙ্গতী রেখে একটি নির্দিষ্ট স্কেলে প্রাথমিক ভাবে নকশা প্রস্ত্ততের যে কাঠামো স্থাপন করা হয় সেটাই ট্রাভার্স।
২। কিস্তোয়ারঃ- এইস্তরে আমিন দল ভূমি মালিকগন কর্তৃক চিহ্নিত আইল/সীমানা প্রতি খন্ড জমি পরিমাপ করে মৌজার নকশা অংকন কিস্তোয়ার অথবা ব্লুপ্রিন্টে পুরোনো নকশা সংশোর্ধন করেন।
৩। খানাপুরীঃ- কিস্তোয়ার স্তরে অঙ্কিত নকশার প্রত্যেকটি দাগে সরোজমিনে উপস্থিত হয়ে আমিনগন জমির দাগনম্বর দিবেন এবং মালিকের রেকর্ড দলিলপত্র ও দখল যাচাই করে প্রাথমিক ভাবে মালিকের নাম ঠিকানা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য খতিয়ানে লিপি বদ্ধ করেন।
৪। বুঝারতঃ- বুঝারত অর্থ জমি বুঝিয়ে দেওয়া। এস্তরে নতুন আমিনদল কর্তৃক খতিয়ান বা পর্চায় জমির পরিমন উল্লেখ করে বিনা মূল্যে উক্ত পর্চা জমির মালিক কে সরবরাহ করে বুঝারতে যা মাঠ পর্চা নামে পরিচিত।
৫। খানাপুরী কামবুঝারতঃ- যখন কোন মৌজার ব্লুপ্রিন্ট সীটের জরীপ কাজ করা হয় তখন খানাপুরী ও বুঝারত স্তরের কাজ একসাথে করা হয়।
৬। তসদিক বা এ্যাটেষ্টেশনঃ- ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদিত হয় ক্যাম্প অফিসে। খানাপুরী ও বুঝারত স্তরে খতিয়ান প্রনিত হয় মৌসুমী কর্মচারী বা আমিন দ্বারা। তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদন করেন একজন কানুনগো বা রাজস্ব অফিসার।
৭। খসড়া প্রকাশনা (ডিপি ও আপত্তি দায়ের)ঃ- তসদিক সমাপ্তির পর কোন এলাকার জমির প্রনীত রেকর্ড (খসড়া প্রকাশনা ডিপি) সর্ব সাধারনের প্রদর্শনের জন্য মৌজা ভিত্তিক ৩০ দিন উন্মক্ত রাখা হয়। খসড়া প্রকাশনা উন্মক্ত রাখার সময় কাল উল্লেখ পূর্বক ক্যাম্প অফিস হতে এ জন্য বিজ্ঞপ্তি ও প্রচার করা হয়।
৮। আপত্তি শুনানীঃ- ডিপি চলা কালে গৃহীত আপত্তি মামলা সমূহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগন কে নোটিস ইসু মারফত জ্ঞাত করে নির্দিষ্ট তারিখ সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে বিজ্ঞপ্তি করা হয়।
৯। আপিল শুনানীঃ- আপত্তির রায়ের সংক্ষুদ্ধ কোন পক্ষ ৩১ বিধিতে আপিল দায়ের করলে এ পর্যায়ে এসকল আপিলের শুনানী ও নিস্পত্তি করা হয়।
১০। চুড়ান্ত প্রকাশনাঃ- উপরোক্ত স্তরসমূহের কাজ সমাপ্তির পর আনুষঙ্গিক কার্যাদি সম্পর্ন করে পর্চা ও নকশা মুদ্রন করা হয়। মুদ্রিত নকশা ও পর্চা পূনঃ পরিক্ষা করে তাহা চুরান্ত প্রকাশান দেওয়া হয়।
সেবা সমূহঃ
১। ট্রাভার্সঃ- কোন মৌজার নকশা সম্পূর্ন নতুন করে প্রস্ত্তরত করতে সরজমিনের সাথে সংঙ্গতী রেখে একটি নির্দিষ্ট স্কেলে প্রাথমিক ভাবে নকশা প্রস্ত্ততের যে কাঠামো স্থাপন করা হয় সেটাই ট্রাভার্স।
২। কিস্তোয়ারঃ- এইস্তরে আমিন দল ভূমি মালিকগন কর্তৃক চিহ্নিত আইল/সীমানা প্রতি খন্ড জমি পরিমাপ করে মৌজার নকশা অংকন কিস্তোয়ার অথবা ব্লুপ্রিন্টে পুরোনো নকশা সংশোর্ধন করেন।
৩। খানাপুরীঃ- কিস্তোয়ার স্তরে অঙ্কিত নকশার প্রত্যেকটি দাগে সরোজমিনে উপস্থিত হয়ে আমিনগন জমির দাগনম্বর দিবেন এবং মালিকের রেকর্ড দলিলপত্র ও দখল যাচাই করে প্রাথমিক ভাবে মালিকের নাম ঠিকানা ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য খতিয়ানে লিপি বদ্ধ করেন।
৪। বুঝারতঃ- বুঝারত অর্থ জমি বুঝিয়ে দেওয়া। এস্তরে নতুন আমিনদল কর্তৃক খতিয়ান বা পর্চায় জমির পরিমন উল্লেখ করে বিনা মূল্যে উক্ত পর্চা জমির মালিক কে সরবরাহ করে বুঝারতে যা মাঠ পর্চা নামে পরিচিত।
৫। খানাপুরী কামবুঝারতঃ- যখন কোন মৌজার ব্লুপ্রিন্ট সীটের জরীপ কাজ করা হয় তখন খানাপুরী ও বুঝারত স্তরের কাজ একসাথে করা হয়।
৬। তসদিক বা এ্যাটেষ্টেশনঃ- ব্যাপক প্রচারের মাধ্যমে তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদিত হয় ক্যাম্প অফিসে। খানাপুরী ও বুঝারত স্তরে খতিয়ান প্রনিত হয় মৌসুমী কর্মচারী বা আমিন দ্বারা। তসদিক স্তরের কাজ সম্পাদন করেন একজন কানুনগো বা রাজস্ব অফিসার।
৭। খসড়া প্রকাশনা (ডিপি ও আপত্তি দায়ের)ঃ- তসদিক সমাপ্তির পর কোন এলাকার জমির প্রনীত রেকর্ড (খসড়া প্রকাশনা ডিপি) সর্ব সাধারনের প্রদর্শনের জন্য মৌজা ভিত্তিক ৩০ দিন উন্মক্ত রাখা হয়। খসড়া প্রকাশনা উন্মক্ত রাখার সময় কাল উল্লেখ পূর্বক ক্যাম্প অফিস হতে এ জন্য বিজ্ঞপ্তি ও প্রচার করা হয়।
৮। আপত্তি শুনানীঃ- ডিপি চলা কালে গৃহীত আপত্তি মামলা সমূহ সংশ্লিষ্ট পক্ষগন কে নোটিস ইসু মারফত জ্ঞাত করে নির্দিষ্ট তারিখ সময় ও স্থানে শুনানী গ্রহণ করে বিজ্ঞপ্তি করা হয়।
৯। আপিল শুনানীঃ- আপত্তির রায়ের সংক্ষুদ্ধ কোন পক্ষ ৩১ বিধিতে আপিল দায়ের করলে এ পর্যায়ে এসকল আপিলের শুনানী ও নিস্পত্তি করা হয়।
১০। চুড়ান্ত প্রকাশনাঃ- উপরোক্ত স্তরসমূহের কাজ সমাপ্তির পর আনুষঙ্গিক কার্যাদি সম্পর্ন করে পর্চা ও নকশা মুদ্রন করা হয়। মুদ্রিত নকশা ও পর্চা পূনঃ পরিক্ষা করে তাহা চুরান্ত প্রকাশান দেওয়া হয়।