মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

► জাল টাকা চেনার উপায়।

* আসল নোটে 'বাঘের মাথা' এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের 'মনোগ্রাম'-এর জলছাপ রয়েছে। ব্যাংকের মনোগ্রামটি বাঘের মাথার চেয়ে বেশি উজ্জ্বল। উভয়ই আলোর বিপরীতে দেখা যাবে। নকল নোটে জলছাপ অস্পষ্ট ও নিম্নমানের।
* আসল টাকা বিশেষ নিরাপত্তামূলক কালিতে ছাপা, যা হাত দিয়ে স্পর্শ করলে উঁচু-নিচু বা অসমতল অনুভূত হয়। নকল নোটে হাতের স্পর্শে উঁচু-নিচু বা অসমতল মনে হবে না।
* আসল ১০০, ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোটে বিশেষ নিরাপত্তামূলক কালিতে ছাপা যথাক্রমে তিনটি, চারটি ও পাঁচটি ছোট বৃত্ত রয়েছে_যা হাত দিয়ে স্পর্শ করলে সহজেই উঁচু-নিচু বা অসমতল অনুভূত হয়। নকল নোটে মনে হবে না।
* আসল নোটে টাকার অঙ্ক লিখতে রং পরিবর্তনশীল কালি ব্যবহার করা হয়েছে। লেখার ওপর সরাসরি তাকালে ম্যাজেন্টা বা লালচে এবং তির্যকভাবে তাকালে সবুজ বা সোনালি রং দেখা যাবে। নকল বা জাল নোটে দেখা যাবে না।
* ডান ও বাঁ প্রান্তে ফুলের নকশা রয়েছে আসল নোটে। নোটের উভয় পিঠে হুবহু একই স্থানে ছাপানো। যা আলোর বিপরীতে দেখা যাবে। নকল নোটে উভয় দিকে একই নকশা মেলানো বেশ কঠিন।
* আসল নোটের উভয় দিকে একই স্থানে স্বচ্ছভাবে ইংরেজিতে 'ই' আকৃতি আছে, যা আলোর বিপরীতে হুবহু একই জায়গায় ছাপা দেখা যাবে। নকল টাকায় এ রকম ছাপা কঠিন।
* টাকার গায়ে ইংরেজিতে 'Bangladesh Bank' লেখাটি অতি ক্ষুদ্র আকারে বারবার লেখা আছে, যা খালি চোখে দেখা যায় না। আতশি কাচ দিয়ে স্পষ্ট দেখা যাবে। নকল টাকায় আতশি কাচ দিয়ে দেখলে শুধু একটা রেখা দেখা যাবে। আসল টাকার মতো এত ক্ষুদ্র 'Bangladesh Bank' লেখাটি পাওয়া যাবে না।
* আসল নোটে চার মিলিমিটার চওড়া নিরাপত্তা সুতাটি সামনের দিকে ফোঁড় কেটে সেলাই করার মতো রয়েছে। কিন্তু পেছনের দিকে সুতাটি কাগজের ভেতরে অবস্থিত। নোটটি নাড়াচাড়া করলে সুতায় বিভিন্ন রং দেখা যাবে। আলোর বিপরীতে উভয় দিক থেকে সুতাটিতে 'বাংলাদেশ' লেখা শব্দটি উল্টা ও সোজাভাবে সম্পূর্ণ পড়া যাবে। নকল নোটে এরূপ হবে না।
* আসল নোটে চারদিকে কোনো সাদা বর্ডার না রেখে বিশেষ ডিজাইনে ছাপানো। ফলে নোটটি মোড়ানো হলে বিপরীত দিকের প্রান্তের নকশা মিলে পূর্ণাঙ্গ রূপ নেবে। নকল নোটে এ রকম মেলানো বেশ কঠিন।